
পবিত্র ঈদ উল আযহা আগামী ২৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঈদকে সামনে রেখে এ বছর কুমিল্লায় বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট স্থাপন করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী এসব হাটের মেয়াদকাল হবে ঈদের দিনসহ মোট পাঁচ থেকে সাত দিন।
এ বছর কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসছে।
এক নজড়ে দেখে নিন কুমিল্লার কোরবানির পশুর হাটের তালিকা ও তারিখ:
| তারিখ | বার | বাজার |
| ২২ মে | শুক্রবার | ময়নামতি বাজার। সুয়াগাজী বাজার। |
| ২৩ মে | শনিবার | চান্দিনা বাজার। কৃষ্ণনগর বাজার। চৌয়ারা বাজার। ছয়গ্রাম। নেউরা বাজার।
|
| ২৪ মে | রবিবার | নেউরা বাজার। চাঁনপুর বাজার। |
| ২৫ মে | সোমবার | চাঁনপুর বাজার। সুয়াগাজী বাজার। নেউরা বাজার। কাপ্তান বাজার। বানাশুয়া বাজার। ঘাড়মোড়া বাজার (হোমনা)। বালুতুবা বাজার। |
| ২৬ মে | মঙ্গলবার | চাঁনপুর বাজার। নেউরা বাজার। চান্দিনা বাজার। চৌয়ারা বাজার। কালিরবাজার। কাপ্তান বাজার। কৃষ্ণনগর বাজার। বালুতুবা বাজার। ছয়গ্রাম। মুন্সির বাজার। শিবির বাজার। |
| ২৭ মে | বুধবার | মিরশান্নি বাজার। নেউরা বাজার। কাপ্তান বাজার। চাঁনপুর বাজার। বালুতুবা বাজার। ফকির বাজার। শিবির বাজার। ঝালুয়াপারা বাজার। শাহপুর বাজার। মুন্সির বাজার। |
| ২৮ মে | বৃহস্পতিবার | চাঁনপুর বাজার। নেউরা বাজার। চৌয়ারা বাজার।
|
| ২৪ মে থেকে ২৮ মে এর মধ্যে টানা যতো বাজার | রবিবার থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত | নেউরা বাজার -(শনিবার থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত)। চানঁপুর বাজার -(রবিবার থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত)। চৌয়ারা বাজার -(শনিবার, মঙ্গলবার থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত)। বালুতুবা বাজার -(সোমবার থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত)।
|
এছাড়াও শহর কেন্দ্রীক বাজার বাদেও বিভিন্ন গ্রাম, ব্যক্তিগতভাবে গড়ে উঠা খামারে কিংবা অনেকে এক বা একাধিক কোরবানির পশু লালন-পালন করেছেন। সেখানেও পাওয়া যাবে কোরবানির পশু।
বিঃদ্রঃ রাইজিং কুমিল্লার নিজস্ব প্রতিবেদক ও বিভিন্ন সূত্র থেকে কোরবানির পশুর হাটের তালিকা সংগ্রহ করেছে। তবে ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কুমিল্লায় মোট কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ২ লাখ ৫৯ হাজার। এর বিপরীতে জেলার সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার পশু। এতে চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত প্রায় ১২ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
এর মধ্যে কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর মধ্যে গরু ও মহিষ রয়েছে ২ লাখ ৭১৭টি। এছাড়া ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য প্রাণী রয়েছে ৫৮ হাজার ২৮৩টি। জেলার অধিকাংশ খামারেই দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবহার করে পশু মোটাতাজা করা হয়েছে।
উপজেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, আদর্শ সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ২০ হাজার ৯২৩টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে।
এছাড়া বুড়িচং উপজেলায় ১৮ হাজার ৭৯৪টি, বরুড়ায় ১৭ হাজার ৬৪৭টি, চৌদ্দগ্রামে ১৬ হাজার ৯০৮টি এবং সদর দক্ষিণ উপজেলায় ১৪ হাজার ৫১৭টি পশু প্রস্তুত রয়েছে।
অন্যদিকে সবচেয়ে কম পশু প্রস্তুত হয়েছে মেঘনা উপজেলায়। সেখানে প্রস্তুত পশুর সংখ্যা ৮ হাজার ৭৩২টি। তবে স্থানীয় চাহিদার তুলনায় এ সংখ্যাও পর্যাপ্ত বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম বলেন, “এ বছর জেলায় পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে জেলার সব পশুর হাটে প্রাণিসম্পদ বিভাগের নজরদারি থাকবে, যাতে স্বাস্থ্যসম্মত পশু বিক্রি নিশ্চিত করা যায়। এবার চাহিদার তুলনায় ১২ হাজার পশু বেশি রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে। খামারিরা এখন স্টেরয়েড ব্যবহার থেকে সরে এসেছে, যা ইতিবাচক দিক।”









