বৃহস্পতিবার ৭ মে, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, হাতের টানে উঠে যাচ্ছে পিচ

তোফাজ্জল মিয়া, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

Rising Cumilla - Allegations of irregularities in road construction in Nasirnagar, Brahmanbaria, pitch being lifted by hand
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, হাতের টানে উঠে যাচ্ছে পিচ/ছবি: প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের মকবুল পুর থেকে কোয়েরপুর পর্যন্ত সড়কটি সংস্কার কাজ চলামান, এলাকাবাসীর অভিযোগ কাজে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে এবং নিম্নমানের পিচ করা হচ্ছে, এরই মধ্যে হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ। এতে নিম্নমানের সংস্কার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এক যুবক হাত দিয়ে অনায়াসে তুলে ফেলছেন সড়কের পিচ। এই অবস্থা দেখে আশপাশের অনেক মানুষ সেখানে জড়ো হন। উপস্থিত লোকজন নিম্নমানের কাজের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। কাজ শুরু হলেও অনিয়মের জন্য কাজ বন্ধের দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী।

ক্ষোভ প্রকাশ করে পুর্বভাগ এলাকার জাকির হোসেন বলেন, দায়সারাভাবে সড়কটি সংস্কার করা হয়েছে। এত নিম্নমানের কাজ আগে কখনো হয়নি। সড়কটি বেশি দিন টেকসই হবে না বলে জানান তাঁরা। পাশাপাশি এমন নিম্নমানের কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা সুহেল আহমদ বলেন, এই রাস্তা দিয়ে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, হাটবাজার—সব জায়গায় যাতায়াত করতে হয়। আমরা এত দিন অবহেলিত ছিলাম। কাজ শুরু হওয়ায় খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, কাজের মান অত্যন্ত নিম্ন।

সড়কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা এবং কৃষকদের উৎপাদিত ফসল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এমন নিম্নমানের কাজ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা আরিফুল ইসলাম জানান, টাকা ই তো নিম্নমানের,কোটি টাকার উপরে যদি বাজেট হতো তাহলে কাজ ভালো করা যেতো।

এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আব্দুল মোমেন বলেন, আমি মিটিং এ আছি, এ বিষয়ে পরে কথা বলবো।

নাসিরনগর উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইসহাক মিয়া বলেন, এটা আমি আরেক সহকারীকে দায়িত্ব দিয়ে রেখেছি, বিষয় খুঁজ নিয়ে দেখতেছি।

আরও পড়ুন