
দেশে প্রতিদিনই হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, আর এর সঙ্গে আনুপাতিক হারে বাড়ছে মৃত্যুও। এই পরিস্থিতিতে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে আগামীকাল সোমবার থেকে সারাদেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
এর আগে, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হয়। পরবর্তীতে ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চারটি সিটি করপোরেশন এলাকায় এই টিকাদান কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে সরকার।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে হাম ও এর উপসর্গে ২১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত শুক্রবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে ব্যাপকভাবে হামের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, দেশে কোনো টিকার ঘাটতি নেই এবং এ বিষয়ে ছড়ানো অপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
চিকিৎসকদের মতে, শুধুমাত্র হামের কারণে মৃত্যুর নির্দিষ্ট রেকর্ড নেই; যেসব শিশু মারা যাচ্ছে, তাদের অধিকাংশের শরীরে হামের পাশাপাশি অন্যান্য জটিলতাও থাকে। তাই হাম হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
দেশব্যাপী প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘরে ঘরে টিকাদান কর্মসূচি সফল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চিকিৎসকরা। তারা আরও বলেন, এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে সময়মতো টিকা দেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।









