
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের নাড়িদিয়া এলাকার আঙ্গারিয়া-নাড়িয়া খালে অবৈধভাবে নির্মিত একটি বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে।
এই উদ্যোগ নেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম। এর ফলে প্রায় ২৫০ বিঘা কৃষিজমি পুনরায় চাষাবাদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাঁধটি অপসারণ করা হয়। একই দিনে বিকেলে মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানিকমুড়া এলাকা থেকে ভোগই, কাচি ও নদনা খাল পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।
একসময় প্রবহমান এই খাল শুকনো মৌসুমে সেচের পানি সরবরাহ এবং বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে পুনঃখনন না হওয়ায় দখল ও দূষণের কারণে খালটি প্রায় ভরাট হয়ে পড়ে, যার ফলে কৃষিকাজে মারাত্মক প্রভাব পড়ে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিগত সরকারের সময় একটি প্রভাবশালী মহল প্রায় আড়াইশো বিঘা জমির তিন পাশে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করে। এতে সহস্রাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। তিন ফসলি জমি এক ফসলিতে নেমে আসে এবং ধান উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ফলে অনেক কৃষক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
সংসদ সদস্য আবুল কালাম বলেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি এবং তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এতে এলাকার কৃষকরা আরও স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে চাষাবাদ করতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, খাল ও নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।









