
নতুন মজুরি কাঠামো প্রত্যাখ্যান করে সর্বনিম্ন ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরের বেশ কিছু এলাকায় পোশাকশ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক কারাখানা ছুটি দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকালে চান্দনা চৌরাস্তা, রওশন সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। এসময় উত্তেজিত শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করতে চাইলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা এলাকায় আজ সকাল ৯টার দিকে একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে শিল্প ও থানা-পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এর কিছু সময় পর নাওজোড় এলাকায় শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় শ্রমিকেরা মহাসড়কে টায়ার দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে তখন পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহম্মেদ বলেন, সকালে চান্দনা এলাকায় একটি কারখানায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করলে তাদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে নাওজোড়সহ আশপাশের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা ভাঙচুর করেন। আগুন ধরিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরে টিয়ারশেল দিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করে মজুরি বোর্ড। ওই সিদ্ধান্তে শ্রমিকরা সন্তুষ্ট না হওয়ায় বুধবার সকাল থেকে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন। এদিন পুলিশের ছোড়া গুলিতে আঞ্জুয়ারা বেগম (২৪) নামের এক নারী শ্রমিক নিহত হন। এছাড়া জামাল উদ্দিন নামে আরও এক শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।









