বৃহস্পতিবার ২৮ মে, ২০২৬

দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা, পথে পথে চলছে পশু কোরবানি

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

RisingCumilla - animal sacrifice
ছবি: সংগৃহীত

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায়ের পরপরই পশু কোরবানিতে অংশ নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টায় ঈদের জামাত শেষ হওয়ার পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় পশু কোরবানি। নগরীর অলিগলি ও বিভিন্ন মহল্লায় কোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের ব্যস্ততা দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জেন, বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা পশু জবাইয়ে সহযোগিতা করছেন। প্রতিবেশীরা একে অপরের কোরবানিতে সহায়তা করে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। তবে পেশাদার কসাই সংকটের কারণে অনেক পরিবার ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি সম্পন্ন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর ত্যাগের আদর্শ অনুসরণ করে মুসলমানরা প্রতি বছর ঈদুল আজহা উদযাপন করেন। আত্মত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের শিক্ষা বহন করে এ উৎসব।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এক বাণীতে তিনি বলেন, কোরবানির আনন্দ দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার মধ্যেই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত। তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহা আত্মত্যাগ, আত্মশুদ্ধি এবং হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের এক মহিমান্বিত শিক্ষা দেয়।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়; বরং মানুষের অন্তরের লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ ও মনের পশুত্বকে দমন করার শিক্ষাই কোরবানির মূল বার্তা।

তিনি আরও বলেন, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা নিয়ে প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর জীবনে নতুন প্রেরণা নিয়ে আসে। দলমত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মাঝে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন