
আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে নেওয়া হবে না। এ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে লটারির মাধ্যমে। তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণি ছাড়া অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথম শ্রেণিতে শিশুদের ভর্তি কার্যক্রম আগের মতোই লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পরবর্তী সব শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে।
এর আগে গত ১৬ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সে সময় তিনি বলেন, ‘বছরের প্রথমে অ্যাডমিশন যেটা হয়, সেখানে আমরা লটারির পরিবর্তে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি। আগাম জানিয়ে দিলাম, যেন সবাই সুযোগ পায়। আমরা লটারি সিস্টেম উইথড্র করলাম।’
তবে সর্বশেষ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমেই শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে, আর প্রথম শ্রেণি ছাড়া অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০১১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে ভর্তি ব্যবস্থা চালু করা হয়। ২০১২ সালে বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি কার্যকর হয়। সে সময় দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হলেও, করোনা মহামারির কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি শুরু হয়। এরপর থেকে একই পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে লটারি বহাল থাকলেও অন্যান্য শ্রেণিতে আবারও ভর্তি পরীক্ষা চালু হচ্ছে।










