
আইন পেশায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নির্ধারিত বয়সের পর নতুন করে আইনজীবী হওয়ার সুযোগ সীমিত হতে পারে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
অনুষ্ঠানে আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নির্ধারণে সরকারের উদ্যোগের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। তবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে কী ধরনের আইনগত বা নীতিগত পরিবর্তন আনা হবে, তা এখনো বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি।
এ ছাড়া প্রস্তাবটি কবে নাগাদ কার্যকর হতে পারে, বর্তমানে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন বা আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন—এমন প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হবে, সে বিষয়েও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংশোধন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংশোধন নিয়ে মানুষের মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। এ আইনের অধীনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআইয়ের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে গণমাধ্যমকর্মীদের সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
এ ছাড়া এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস আইনজীবীদের সতর্ক করে বলেন, আইন পেশার অমর্যাদা হয়, এমন কোনো কর্মকাণ্ড কেউ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরই মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিগত সরকারের আমলের সুবিধাভোগীরা অনেকে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত করতে চায় বলে অভিযোগ তার।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে ইন্টার্নশিপ শেষ করা শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ করা হয়।








