বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর, ২০২৬

‘সাংবাদিক বা মিডিয়া মালিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব বিবেচনা করছে সরকার’

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

RisingCumilla - The government is considering a proposal requiring court approval for the arrest of journalists or media owners
'সাংবাদিক বা মিডিয়া মালিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব বিবেচনা করছে সরকার'/ছবি : সংগৃহীত

সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিকদের গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিক বা গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিকদের গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিষয়ে প্রস্তাবটি জোরালোভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে আইন পাস হওয়ার আগে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনটি করতে চায়। এ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আইনটি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় সরকার তাড়াহুড়ো করতে চায় না। সবাই যেন প্রকৃত অর্থেই আইনি সুরক্ষা পান, তা নিশ্চিত করেই আইনটি চূড়ান্ত করা হবে। চলতি বছরের মধ্যে আলোচনা শেষ হলে এ বছরই আইনটি প্রণয়ন করা হবে। অন্যথায় পরবর্তী সময়ে তা করা হবে।

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি টেলিভিশন চ্যানেলের নিজস্ব নিয়মনীতি ও নীতিমালা রয়েছে। কোনো ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। কেউ আইনবিরোধী কাজ করলে কিংবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠানের রয়েছে। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানেন।

একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যেকোনো প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন মনে করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাইতে পারে।

শ্রমিক আন্দোলন প্রসঙ্গে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, মজুরি বোর্ডের ঘোষণা আসার পর শ্রমিকরা কাজে ফিরে গেছেন। বৃহস্পতিবার কোনো আন্দোলন নেই। শ্রমিকদের দাবির প্রায় সবকিছুই পূরণ হওয়ায় তারা কাজে ফিরেছেন।

তিনি আরও বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগীরা আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। তবে জনগণ এখন বুঝতে পেরেছে, তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

আরও পড়ুন