
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ আহরণ ও পরিবহনের অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় প্রায় ৩ মণ ইলিশ জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই জেলেকে ১৩ দিন করে কারাদণ্ড এবং দুই পরিবহনকারীকে ১ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমলনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা। এর আগে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁদের এ দণ্ড দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন উপজেলার চরফলকন গ্রামের ফরহাদ হোসেন ও ইসমাইল হোসেন। অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত পরিবহনকারীরা হলেন একই গ্রামের মো. নোমান ও মো. বাচ্চু।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা জানান, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগ কমলনগরের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করে চারজনকে আটক করে। এ সময় প্রায় ৩ মণ ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা মাছ স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন মেঘনা নদীর রামগতির চর আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মেঘনা নদীতে অভিযান জোরদার করেছে।
নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা জরিমানা, দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।











