শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে পঁচা-বাসি খাবার বিক্রি, ৩ হোটেলকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

Rising Cumilla - Three hotels in Lakshmipur fined Tk 10.20 lakh for selling stale and rotten food.
লক্ষ্মীপুরে পঁচা-বাসি খাবার বিক্রি, ৩ হোটেলকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা/ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরে পঁচা-বাসি খাবার বিক্রি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও নিষিদ্ধ উপাদান ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি হোটেলকে মোট ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত সামারি ট্রায়াল অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।

অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—রাজমহল হোটেল, নুরজাহান হোটেল ও মোহাম্মদীয়া হোটেল। এর মধ্যে রাজমহল হোটেলের মালিক বিষ্ণু বণিককে ৪ লাখ টাকা, নুরজাহান হোটেলের মালিক সাইফুল আলমকে ৫ লাখ টাকা এবং মোহাম্মদীয়া হোটেলের মালিক নাজমা বেগমকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করেন লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ওমর ফারুক। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন এসআরবি নোয়াখালী ক্যাম্পের ডিএডি অমলেশ বাইন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী এবং লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুল্লাহ হিল হাকিমসহ সংশ্লিষ্টরা।

বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত সূত্রে জানা যায়, তিনটি প্রতিষ্ঠানে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও এসআরবির সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের রান্নাঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। পাশাপাশি পঁচা ও বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যায়।

অভিযানে নুরজাহান হোটেলে খাবার তৈরিতে নিষিদ্ধ কেওড়াজল ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটির মালিক সাইফুল আলমকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া রাজমহল হোটেলের বিষ্ণু বণিককে ৪ লাখ টাকা এবং মোহাম্মদীয়া হোটেলের নাজমা বেগমকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী বলেন, “আমরা যৌথভাবে খাবার হোটেলগুলোতে অভিযান পরিচালনা করেছি। পঁচা-বাসি খাবার বিক্রি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠান মালিককে মোট ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।”

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন