বৃহস্পতিবার ২ জুলাই, ২০২৬

ড. জন লি লিগ্যাসি অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ

নোয়াখালী প্রতিনিধি

RisingCumilla - Bangladeshi academic selected for the Dr. John Lee Legacy Award
ড. জন লি লিগ্যাসি অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ/ছবি: প্রতিনিধি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাংলাদেশি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বাইস্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি ড. রাসেল মাহমুদ জুয়েল ওয়েস্টক্লিফ ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিডিএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পাশাপাশি, প্রায় ৯৬টি দেশের ৬৬১ জন স্নাতকের মধ্য থেকে তিনি এ বছরের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ড. জন লি লিগ্যাসি অব লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত হন।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আগে ওয়েস্টক্লিফ ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. অ্যান্থনি লি কয়েক মিনিট ধরে ড. জুয়েলের শিক্ষাগত সাফল্য, গবেষণায় অবদান, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কেন ড. জুয়েলকে এই সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। সেই মুহূর্তের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ড. জুয়েল বলেন, আমি সত্যিই বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। অনুভূতিটা ছিল ভাষায় প্রকাশের অতীত।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আগে গ্রিন রুমে ড. রাসেল মাহমুদ জুয়েল এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা তার সঙ্গে সেলফি তোলার আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি উপলব্ধি করেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অধ্যবসায় সার্থকতায় পৌঁছেছে।

চাঁদপুরের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা ড. জুয়েল প্রতিকূলতা পেরিয়ে বাংলাদেশে তিনটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বাংলাদেশ কাস্টমসে আট বছর চাকরির পর ২০২২ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। ডক্টরাল গবেষণায় তিনি সরকারি খাতে, বিশেষ করে কাস্টমস ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জন্য একটি উদ্ভাবনী মডেল তৈরি করেন।

বাইস্যাকের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ৩৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন প্রবাসী ও সামাজিক সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন এবং যুব নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করছেন।

ড. জুয়েল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, জনস্বাস্থ্য ও ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বিষয়ে ১৬টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। তার গবেষণাকর্ম ৩৭০টিরও বেশি বার উদ্ধৃত হয়েছে, যা তাকে একজন উদীয়মান আন্তর্জাতিক গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আরও পড়ুন