
কুমিল্লার মেঘনা ও দাউদকান্দি উপজেলায় বিভিন্ন কমিটি গঠন, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কিংবা অন্য কোনো অজুহাতে চাঁদা দাবি বা আদায় এবং মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম, ঘটনার বিবরণ ও প্রমাণসহ তালিকা চেয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ডা. খন্দকার মারুফ হোসেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।
পোস্টে মারুফ হোসেন উল্লেখ করেন, মেঘনা ও দাউদকান্দি এলাকায় চাঁদাবাজি কিংবা মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম, ঘটনার বিবরণ ও প্রমাণসহ একটি তালিকা তৈরি করে গোপনীয়ভাবে তাঁর কাছে জমা দিতে হবে।
তিনি জানান, অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে ব্যক্তিগত বিরোধ, বিদ্বেষ কিংবা কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তালিকায় কারও নাম অন্তর্ভুক্ত না করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, চাঁদাবাজি ও মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় যা-ই হোক, কাউকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
মেঘনা ও দাউদকান্দি এলাকায় এসব অপরাধের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যেই তাঁর এ আহ্বান বলে পোস্টের বক্তব্য থেকে জানা যায়।
উল্লেখ্য, ডা. খন্দকার মারুফ হোসেন কুমিল্লা-১ (মেঘনা-দাউদকান্দি) আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে।










