
অতিবৃষ্টি ও সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি জেলা তথ্য অফিস ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ, আগাম সতর্কবার্তা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে।
জেলা তথ্য অফিস জানায়, মাইকিং, স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যম এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন্যার পূর্বপ্রস্তুতি, নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ, বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, ডেঙ্গু ও ডায়রিয়া প্রতিরোধ, সাপের কামড় এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় সরকারি নির্দেশনা নিয়মিত প্রচার করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম চালু রাখা হয়েছে।
একই সঙ্গে জেলার ৫৫৯টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সরকারি মজুদে রয়েছে ১০০ মেট্রিক টন চাল এবং ৫ লাখ টাকা।
পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ত্রাণসামগ্রীর চাহিদাও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আগাম পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লার পর্যবেক্ষণাধীন নদ-নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্টেশনেই পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। এছাড়া বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি। তবে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস সকলকে গুজব কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে শুধুমাত্র সরকারি তথ্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজন দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার এবং জরুরি প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।










