
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে জমি দখল সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ২ শিক্ষকের মানহানির অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষকরা। অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই দুই শিক্ষক।
অভিযোগকারী শিক্ষকরা হলেন—ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আবুল হায়াত এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা ২০১৯ সালে লালমাই মৌজাভুক্ত ৩০ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘ সাত বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন।
তবে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে অভিযুক্ত কর্মচারী জহিরুল ইসলাম ওই জমির মালিকানা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য গত ২ মে জমি পরিমাপের দিন ধার্য করা হলেও জহিরুল সেখানে অসহযোগিতা করেন এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষকদের দাবি, গত ৫ মে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জহিরুল ইসলাম তাঁদের বিরুদ্ধে জমি দখলের মিথ্যা অভিযোগ তুলে ধরেন। যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এছাড়া কিছুদিন আগে ওই জমির প্রায় ৩০টি বড় গাছ কেটে ফেলা হয়েছে বলে জানান তারা।
শিক্ষকদের অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম তাঁর লিখিত অভিযোগে যেসব সাক্ষীর নাম উল্লেখ করেছেন, তাদের অধিকাংশই স্বীকার করেছেন যে জহিরুলের তোলা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন।
অভিযোগপত্রে শিক্ষকরা একজন কর্মচারীর এমন মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত, মানসিক এবং সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানানো হয়েছে।









