
দেশে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ (পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট) ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৪২ শতাংশে। এর আগের মাস এপ্রিল মাসে এই হার ছিল ৯.০৪ শতাংশ।
রোববার (৭ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে উচ্চমূল্যের চাপ কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং মূল্যস্ফীতির ক্রমবর্ধমান চাপ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে তুলছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার বেশি। ২০২৫ সালের মে মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.০৫ শতাংশ, যা এক বছরের ব্যবধানে বেড়ে ৯.৪২ শতাংশে পৌঁছেছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, মে মাসে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—দুই খাতেই মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
খাদ্য খাতে মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯.০৬ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৮.৩৯ শতাংশ। এছাড়া ২০২৫ সালের মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৫৯ শতাংশ।
অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। মে মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯.৭১ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯.৫৭ শতাংশ। এক বছর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে এই হার ছিল ৯.৪২ শতাংশ।










