
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক, মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার ঘটনায় বিব্রত প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মামলাটি সম্পর্কে আগে থেকে তার কোনো ধারণা ছিল না। কে বা কারা এ মামলা করেছেন, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন যে তার নির্বাচনী এলাকা সদর দক্ষিণ থানায় চরমোনাই পীরের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি বিব্রত বোধ করেন।
তিনি জানান, মামলার খবর পাওয়ার পরপরই তিনি তার নেতাকর্মীদের বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টির সমাধানে উদ্যোগ নিতে এবং মামলা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন। নেতাকর্মীরা তাকে জানিয়েছেন, বাদী মামলা প্রত্যাহারে সম্মতি দিয়েছেন।
এমপি মনিরুল আরও বলেন, সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং তার আইনজীবীকেও প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদে সংঘটিত একটি অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার যে অভিযোগ ছিল, তা তিনি সংসদের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে লিখিতভাবে উত্থাপন করেছেন। এর বাইরে কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা বা হয়রানিমূলক পদক্ষেপে তিনি বিশ্বাস করেন না বলেও জানান।
তিনি বলেন, “আমি সবসময় আইন, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার পক্ষে।”
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।











