
উন্নয়ন প্রকল্পে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও ব্যয় বৃদ্ধি রোধে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকল্প গ্রহণের আগে নিরীক্ষা জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি রোধে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানো এবং প্রকল্প গ্রহণের আগে নিরীক্ষা কার্যক্রম জোরদারসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কিছু মেগা প্রকল্পে দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তারেক রহমান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দুর্নীতির যে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল, সেটির নিরীক্ষা নিয়েও বর্তমান সরকার কাজ করছে।
এদিকে দেশের গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
ভোলার গ্যাস জাতীয় মেইন লাইনে আনতে প্রায় সাত বছর সময় লাগবে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভোলায় শিল্প-কারখানা স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।










