শুক্রবার ৫ জুন, ২০২৬

ভারতের দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গেল কুমিল্লার সোহাগের, দগ্ধ বোন-ভগ্নিপতি

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla - Sohag from Cumilla dies in hotel fire in Delhi, India, sister-in-law burnt
ভারতের দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গেল কুমিল্লার সোহাগের/ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী দিল্লির মালব্য নগরের একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত নূরুল আমিন সোহাগ (৪০) উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে।

বুধবার (৩ জুন) সকালে দিল্লির হাউজ রানি এলাকার পাঁচতলা ‘বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট’ হোটেলে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে সোহাগের মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তার স্বজন হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী।

তিনি জানান, নূরুল আমিন সোহাগ তার ছোট বোন ও ভগ্নিপতিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে নয়াদিল্লি যান। সেখানে অবস্থানকালে হোটেলটিতে সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলেই সোহাগ নিহত হন। এ সময় তার ছোট বোন ও ভগ্নিপতি গুরুতর দগ্ধ হন। তাদের দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন।

এর আগে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নিহত ও আহতদের মধ্যে অনেকেই দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের। তারা মূলত চিকিৎসার জন্য অথবা চিকিৎসাধীন আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ভারতে গিয়েছেন।

ভবনটি থেকে ৪০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে আগুন লাগার সময় ভবনের ভেতরে ঠিক কতজন মানুষ ছিলেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অগ্নিকাণ্ডের কারণও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, ফ্লারিশ স্টে নামের হোটেলে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সময় সকাল ৮টা বেজে ৫০ মিনিটে রেস্তোরাঁয় অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা এ কে মালিক বলেন, ‘আগুন বেশ দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ কারণে আগুন ছড়িয়ে যায়নি। আমরা ভবনটি তল্লাশি করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি।’

স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা জিতেন্দ্র কুমার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভবনটির নিচতলায় একটি রেস্তোরাঁ পরিচালিত হতো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই রেস্তোরাঁ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।’

আরও পড়ুন