বুধবার ২৪ জুন, ২০২৬

বিশ্বের সেরা ১০০ টেকসই বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

রাইজিং ক্যাম্পাস

RisingCumilla - Daffodil International University among the world's top 100 sustainable universities
ছবি : সংগৃহীত

টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬-এ বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান অর্জন করেছে।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রকাশিত এ রেটিংসে বিশ্বের ১ হাজার ৬০৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডিআইইউ ৮৭তম স্থান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে দেশের সরকারি ও বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্ববিদ্যালয়টির এ অর্জন শুধু ডিআইইউর জন্য নয়, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এদিকে এসডিজি ১৭ (পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস) সূচকে ডিআইইউ বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টির উল্লেখযোগ্য সাফল্যের প্রতিফলন ঘটেছে এই অর্জনের মাধ্যমে।

এ বছরের রেটিংয়ে বিভিন্ন এসডিজি সূচকেও ডিআইইউ উল্লেখযোগ্য অবস্থান অর্জন করেছে।

এর মধ্যে রয়েছে—

বিশ্বে ৪র্থ — এসডিজি ১৭: পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস

বিশ্বে ১২তম — এসডিজি ৪: কোয়ালিটি এডুকেশন

বিশ্বে ৪৮তম — এসডিজি ৮: ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড ইকোনমিক গ্রোথ

বিশ্বে ৬৮তম — এসডিজি ১০: রিডিউসড ইনইকুয়ালিটিজ

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ অর্জন জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে তাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

তারা আরও জানান, শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং দেশি-বিদেশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গবেষণা কার্যক্রম, শিল্পখাতের সহযোগিতা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং নীতিগত অবদান ডিআইইউকে এ বৈশ্বিক অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি ভবিষ্যতেও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

আরও পড়ুন