
পূর্বের নিয়মে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া প্রতিবছর ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস আলাদাভাবে পালিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিসভার ১৩তম বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদ্যাপন করতো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কিন্তু সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো দু’টি দিবস একই দিনে পালিত হয়।
কিন্তু বর্ষাকালে একসঙ্গে দুই দিবস উদ্যাপন করায় যুব র্যালি, যুব সমাবেশ ও যুবমেলার মতো কর্মসূচি সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে, যুব উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা সমস্যায় পড়েন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, জাতীয় যুব দিবস ছাড়া অন্য সময়ে যুবমেলার আয়োজন করলে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা ও বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জিত হয় না। অন্যদিকে জাতীয় যুব দিবস সরকারি অর্থায়নে উদ্যাপিত হলেও আন্তর্জাতিক যুব দিবস সাধারণত সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতায় পালিত হয়।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রিসভা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদ্যাপনের পরিবর্তে পৃথকভাবে ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস এবং ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।








