শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ঘামাচি, ব্রণ ও চুলকানি সমস্যায় স্বস্তি দেবে নিমপাতা, ব্যবহার যেভাবে করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

Rising Cumilla - Natural skincare with neem and herbs
নিম ও ভেষজ দিয়ে প্রাকৃতিক ত্বকের যত্ন/ছবি: রাইজিং কুমিল্লা সম্পাদিত

গ্রীষ্মের তীব্র গরমে ঘামাচি, র‍্যাশ, ব্রণ ও ত্বকের চুলকানির সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের বডিওয়াশ, সিরাম কিংবা ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। তবে অনেক সময় এসব প্রসাধনী প্রত্যাশিত ফল দিতে পারে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃতির সহজলভ্য উপাদান নিমপাতা ত্বকের নানা সমস্যার কার্যকর সমাধান হতে পারে। নিমপাতায় থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের সংক্রমণ, প্রদাহ ও গরমজনিত বিভিন্ন সমস্যা কমাতে সহায়ক।

নিম পানিতে গোসল

এক মুঠো তাজা নিমপাতা দুই গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর পানি ছেঁকে গোসলের পানির সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এই পানি দিয়ে গোসল করলে ঘামাচি ও চুলকানি কমতে পারে এবং শরীর সতেজ অনুভূত হয়। পিঠ ও বুকে ব্রণের সমস্যায়ও এটি উপকারী বলে মনে করা হয়।

নিম ও হলুদের ফেসপ্যাক

গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ত্বকে তেলের পরিমাণ বেড়ে যায়। এ সমস্যা কমাতে নিমপাতা বাটার সঙ্গে এক চিমটি হলুদ ও সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করা যায়। ১৫ মিনিট ত্বকে রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বক পরিষ্কার ও সতেজ দেখাতে সাহায্য করে।

সানবার্নে নিম ও অ্যালোভেরা

রোদে দীর্ঘ সময় থাকার কারণে ত্বক পুড়ে গেলে বা জ্বালাপোড়া করলে নিমপাতা থেঁতো করে তার সঙ্গে ঠাণ্ডা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই মিশ্রণ ত্বককে শীতল অনুভূতি দেয় এবং অস্বস্তি কমাতে সহায়তা করে।

নিম চা

অনেকের মতে, শরীরের ভেতরের ভারসাম্য বজায় রাখতে নিমপাতা ফোটানো পানি বা নিম চা উপকারী হতে পারে। যদিও এর স্বাদ তেতো, তবুও এটি শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে।

ত্বকের যত্নে নিম তেল

ত্বকের চুলকানি, হালকা প্রদাহ কিংবা মশার কামড়ের অস্বস্তি কমাতে নিম তেল ব্যবহার করা যায়। তবে সরাসরি না মেখে নারিকেল তেল বা আমন্ড অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা নিম তেল মিশিয়ে ব্যবহার করাই ভালো। এটি খুশকি ও উকুনের সমস্যাতেও সহায়ক হতে পারে।

তবে ত্বকে নতুন কোনো উপাদান ব্যবহারের আগে ছোট একটি অংশে পরীক্ষা করে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ত্বকে অতিরিক্ত জ্বালা, অ্যালার্জি বা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র: এই সময়

আরও পড়ুন