মঙ্গলবার ৪ আগস্ট, ২০২৬

কুমিল্লায় ৫ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অভিযান, সাময়িক বন্ধ কার্যক্রম

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

কুমিল্লায় ৫ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অভিযান, সাময়িক বন্ধ কার্যক্রম
কুমিল্লায় ৫ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অভিযান, সাময়িক বন্ধ কার্যক্রম/ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স ও ঝাউতলা এলাকায় পাঁচটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোর হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক বা ল্যাব কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

আজ কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে জনস্বার্থে নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শফিকুল ইসলাম ও ডা. মো. ওসমান হোসেন জাবীরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নীতিমালা ও লাইসেন্সসংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম পর্যালোচনা করা হয়।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রেসকোর্স এলাকার প্রাইম হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদন ছাড়া স্থান পরিবর্তনের অভিযোগে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

একই এলাকার এভারগ্রীন হাসপাতালে সি-ক্যাটাগরির লাইসেন্সের আওতায় বি-ক্যাটাগরির ল্যাব পরীক্ষা পরিচালনার অভিযোগে ডায়াগনস্টিক ল্যাবের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়।

মিশন হাসপাতালে দীর্ঘদিন লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং সি-ক্যাটাগরির লাইসেন্সের আওতায় বি-ক্যাটাগরির পরীক্ষা পরিচালনার অভিযোগে ডায়াগনস্টিক ল্যাবের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয়।

এ ছাড়া ডেল্টা হাসপাতালে লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং অনুমোদিত ক্যাটাগরির বাইরে ল্যাব পরীক্ষা পরিচালনার অভিযোগে ল্যাব সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়।

অন্যদিকে, ঝাউতলার জননী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত ফি আদায় এবং অনুমোদন ছাড়া স্থান পরিবর্তনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সম্পূর্ণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা এবং বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নিয়ম-শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে অভিযানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন