
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা স্টুডেন্ট’স অ্যাসোসিয়েশনের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নীলকুঞ্জ রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ রাজীবের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শাহিন ইয়াসার ও তাসফিয়া তাহসিন পৃথা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান (চন্দন)।
এছাড়া বিশেষ অতিথি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ, সদস্য সচিব আবুল বাসার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের নার্সিং বিষয়ক সম্পাদক ইভা আফরিন রিমাসহ জেলার নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
নবীন শিক্ষার্থী স্নেহা বলেন, “কিশোরগঞ্জ জেলা স্টুডেন্ট’স অ্যাসোসিয়েশনের নবীন সদস্য হিসেবে এমন একটি পরিবারের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। এই সংগঠন আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে। সিনিয়রদের অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এগিয়ে যেতে চাই। কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্য ও সুনামকে ধারণ করে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সুন্দর আগামীর পথে এগিয়ে যেতে চাই।”
প্রধান অতিথি মো. নুরুজ্জামান (চন্দন) বলেন, “আজকের এই আয়োজনে আপনাদের মাঝে আমি উপস্থিত হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। কারণ আপনারা সবাই কিশোরগঞ্জের মানুষ। আমি এখানে ঢাকা থেকে ছুটে এসেছি শুধুমাত্র নাড়ির টানে। আমার কিশোরগঞ্জের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী ভাই-বোনদের সঙ্গে আমার দেখা হবে, যাদের সঙ্গে ভবিষ্যতেও সামাজিকভাবে এবং ব্যক্তিগতভাবে একটি সুসম্পর্ক তৈরি হবে এবং যাদের সঙ্গে একসঙ্গে আগামীতে পথ চলতে পারবো। জেলাভিত্তিক, আঞ্চলিকভিত্তিক যে অ্যাসোসিয়েশন, এখানে আমরা দল-মত ও পথের ঊর্ধ্বে উঠে একে অপরের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হবো।”
নবীনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এখানে ভর্তি হওয়ার পেছনে ১০০ জনকে পরীক্ষায় পেছনে ফেলে তোমরা সফলতার সঙ্গে এখানে চান্স পেয়েছো। আমি মনে করি, তোমাদের প্রত্যেকেরই ১০০ জন মানুষকে প্রভাবিত করা অথবা অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা রয়েছে।”
কিশোরগঞ্জ জেলা স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ রাজীব বলেন, “কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এই সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আমরা চাই, জেলার শিক্ষার্থীরা একে অন্যের পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে এগিয়ে যাক। নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে তাদের যেকোনো প্রয়োজনে সহযোগিতা করার চেষ্টা থাকবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, ঐক্যবদ্ধ ও শিক্ষাবান্ধব সংগঠন গড়ে তুলতে আমরা কাজ করে যাবো।”









