
জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে লাখাই উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে বেলা লাখাই উপজেলা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন গুলো দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়। লাখাই বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপির দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীগন গাড়ি নিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে হবিগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা কার্যলয়ে এসে শেষ হয়।
র্যালী শেষে উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলার বিএনপির সহ সভাপতি শেখ ফরিদ মিয়ার সভাপতিত্বে যুগ্ম সম্পাদক শাহা আলম গোলাম এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাখাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডঃ আক্তার আহাদ চৌধুরী স্বপন, বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামছু উদ্দীন, সহ সভাপতি আওয়াল ভুইয়া, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি মোঃ শাহাজন মিয়া, সহ সভাপতি এম এ মোতালিব মিয়া, সেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব মিয়া মোহাম্মদ লায়েছ, ছাত্র দলের সদস্য সচিব আজম আহম্মেদ, লাখাই উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক আশীষ দাশ গুপ্ত, লাখাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল খরছু লাখাই উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক রানা তালুকদার, উপজেলা বিএনপির গণশিক্ষা সম্পাদক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী রহিছ উদ্দিন মাষ্টার, এডঃ কাওসার, উপদেষ্টা কামরুজ্জামান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সোয়াগ চৌধুরী, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া, ফরিদুর ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, নেতা কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিএনপি অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা অংশ নেয়।
এর আগে আজ সকাল ৬টায় জেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর।
এ সময় জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিন সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতির মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও সাহসিকতা থেকে নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা নিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সব ভেদাভেদ ভুলে দেশ ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন। ৭ নভেম্বরের চেতনায় একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।
জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও জেলার ৭ উপজেলায়ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে ।








