মঙ্গলবার ৭ জুলাই, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনায় জালে ধরা পড়েছে ৬ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla - A 6-ton lotus leaf fish was caught in a net in the Meghna River in Ramgati, Lakshmipur.
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনায় জালে ধরা পড়েছে ৬ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ/ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনা নদীর মোহনায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৬ মণ ওজনের একটি বিশাল আকৃতির শাপলাপাতা মাছ। স্থানীয়ভাবে মাছটি ‘হাউস মাছ’ নামে পরিচিত। বিরল এই মাছটি নিলামে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এতে দারুণ খুশি দীর্ঘদিন ধরে অর্থকষ্টে থাকা জেলে কীর্তন মাঝি।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে রামগতি উপজেলার বড়খেরী মাছঘাটে মাছটি নিলামে তোলা হয়। এর আগে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের মেঘনা নদীর মোহনায় মাছটি জালে ধরা পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশাল আকৃতির মাছটি দড়ি দিয়ে বেঁধে বাঁশে ঝুলিয়ে ১২ জন জেলে নৌকা থেকে বড়খেরী মাছঘাটে নিয়ে আসেন। দূর থেকেই বোঝা যাচ্ছিল মাছটি আকারে বড় এবং ওজনে ভারী। মাছঘাটে মোতালেব ব্যাপারীর আড়তে মাছটি নিলামে তোলা হয়।

মাছটি এতটাই বড় ছিল যে, ১২ জন জেলে মিলে নৌকা থেকে নামিয়ে ডাঙায় তুলতে পারছিলেন না। পরে পাশের একটি ট্রলারের জেলেদের সহায়তায় মাছটি ডাঙায় তোলা হয়। এ সময় মাছটি দেখতে মাছঘাট এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে।

নিলামে স্থানীয় পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ ব্যাপারী ৭৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

আড়তদার মোতালেব ব্যাপারী জানান, সম্প্রতি মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় শাপলাপাতা মাছ ধরা পড়ছে। সাধারণত এই মাছ সাগরে থাকে। তবে স্রোতের টানে মাছগুলো নদীতে চলে এসেছে। কীর্তন মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়লে তিনি তার আড়তে নিয়ে আসেন এবং পরে নিলামে কৃষ্ণ ব্যাপারী মাছটি কিনে নেন।

ক্রেতা কৃষ্ণ ব্যাপারী বলেন, ‘হাউস মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। এই মাছের বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যে দামে মাছটি কিনেছি, তার চেয়ে ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি।’

মাছ বিক্রেতা কীর্তন মাঝি বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই জালে তেমন মাছ ধরা পড়ছিল না। এতে আমি অর্থকষ্টে ছিলাম। বড় একটি শাপলাপাতা মাছ ধরা পড়ায় ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরেছি। এতে আমার সংসারের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।’

আরও পড়ুন