বুধবার ২৪ জুন, ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে

রাইজিং ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সোমবারের (২৭ নভেম্বর) মধ্যে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও আশেপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে পরবর্তীতে আরও ঘণীভূত হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবারের পরিবর্তে দুই একদিন পিছিয়েও লঘুচাপটি সৃষ্টি হতে পারে। এর গতিপথ শ্রীলঙ্কার তামিলনাড়ুর দিকে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে কিনা এখনই বলা যাচ্ছে না। সম্ভাব্য লঘুচাপটির পরবর্তী ধাপগুলো পর্যবেক্ষণের পর বোঝা যাবে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে কিনা।

শনিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিলে এর নাম হবে ‘মিগজাউম’। এটা মিয়ানমারের দেয়া নাম।

সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ এবং ‘মিধিলি’র চেয়ে শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা।

এদিকে, মিগজাউম মোকবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার।

আজ সকাল ৯টা থেকে আগামী পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে সারাদেশের রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

এরআগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া সবশেষ ঘূর্ণিঝড়টির নাম ছিল ‘মিধিলি’। যা মালদ্বীপের দেওয়া নাম। গত ১৭ নভেম্বর দুপুরে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার গতির বাতাসের শক্তি নিয়ে খেপুপাড়ার কাছ দিয়ে উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি। তাতে গাছপালা ও ফসলের ক্ষতি ছাড়াও কয়েকজনের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন