
প্রথমবারের মতো মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। রোমাঞ্চকর এই টেস্টে ১০৪ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় টেস্ট জয়। এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের দুই টেস্টেই জয় পেয়েছিল টাইগাররা।
মঙ্গলবার (১২ মে) পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের ১৭৯ রানের লিডের সঙ্গে ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিকরা। তবে শেষ দিনে ব্যাট হাতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ ছিল না বাংলাদেশ। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এতে পাকিস্তানের সামনে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়।
বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ৮৭ রান করেন অধিনায়ক শান্ত। এছাড়া মুমিনুল হক করেন গুরুত্বপূর্ণ ৫৬ রান।
২৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইমাম-উল-হককে ফেরান তাসকিন আহমেদ। এরপর আজান আওয়াইজ ও আবদুল্লাহ ফজল কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দ্বিতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৫৪ রান। তবে ১৫ রান করা আওয়াইজকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
এরপর পেসার নাহিদ রানা আঘাত হানেন পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে। অধিনায়ক শান মাসুদকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলেন তিনি। যদিও চতুর্থ উইকেটে আবদুল্লাহ ফজল ও আগা সালমান ৫১ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন।
পাকিস্তানের সর্বোচ্চ ৬৬ রান করা আবদুল্লাহ ফজলকে আউট করে সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। এরপর সৌদ শাকিলকে ১৫ রানে ফেরান নাহিদ। শেষ ভরসা মোহাম্মদ রিজওয়ানকেও নিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন এই তরুণ পেসার।
শেষদিকে নাহিদ ও তাইজুলের দাপুটে বোলিংয়ে দ্রুত গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। মাত্র ১৬৩ রানেই অলআউট হয় সফরকারীরা।
বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করে ৫ উইকেট নেন নাহিদ রানা। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন। একটি উইকেট পান মেহেদী হাসান মিরাজ।









