বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

Rising Cumilla - Campaign to prevent artificial fuel crisis in Comilla Sadar South, two companies fined 60,000
কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার জরিমানা

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় জ্বালানি তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চৌয়ারা ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান চালানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুকদার।

এ সময় র‍্যাব-সিপিসি-২, কুমিল্লার সিনিয়র এএসপি ও স্কোয়াড কমান্ডার মিঠুন কুমার কুণ্ডুসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষও অভিযানে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে রাজাপাড়া, উত্তর চৌমুহনী, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত হোসেন এন্টারপ্রাইজ (প্রোপাইটর: মো. হোসেন)-এ নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি এবং লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ থাকা ৪৮ লিটার অকটেন উপস্থিত ক্রেতাদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়, যেখানে প্রতি ক্রেতাকে সর্বোচ্চ দুই লিটার করে তেল সরবরাহ করতে বলা হয়।

অভিযানে অপরদিকে বল্লভপুর, রাজাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. জসীম উদ্দীন (৩৮), পিতা- মৃত শামছুল হকের বিরুদ্ধে গোপনে জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগ তদন্তে অসহযোগিতা ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০(২) ধারা অনুযায়ী তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্স ছাড়াই পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন সংরক্ষণ ও বিক্রি করে আসছিলেন। পাশাপাশি অননুমোদিত পাত্রে এসব দাহ্য পদার্থ বিক্রি করায় জননিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছিল।

তিনি আরও জানান, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ, কালোবাজারি ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন