
কুমিল্লার প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং ধর্মীয়-সামাজিক অঙ্গনের সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব তপন বকসী আর নেই।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৭:১৫টায় কুমিল্লার মুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।
তিনি চান্দিনার হারং বকসী বাড়ির বাসিন্দা এবং বিধুভূষণ বকসীর পুত্র। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে তপন বকসী চান্দিনা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন।
চান্দিনা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৭০ ব্যাচের এই শিক্ষার্থী জীবনভর বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
তপন বকসীর প্রয়াণে চান্দিনাসহ পুরো কুমিল্লা জেলায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী, আইসিটি সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মধুসূদন বিশ্বাস লিটন।
এছাড়া শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্মল পাল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা মহানগর ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক কমল চন্দ খোকন, এবং আদর্শ সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি যোগেশ চন্দ্র সরকার ও সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. মধুসূদন রায়।
প্রয়াত তপন বকসীর দীর্ঘদিনের সহপাঠী ও বন্ধু সুবাস চন্দ্র মজুমদার যৌথ স্মৃতিচারণ করে গভীর শোক ব্যক্ত করেছেন।
বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাঁদের শোকবার্তায় জানান, তপন বকসীর প্রয়াণে কুমিল্লার সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।
তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
নেতৃবৃন্দ প্রয়াত তপন বকসীর বিদেহী আত্মার শান্তি ও সৎগতি কামনা করেন।










