বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুমিল্লায় হাসপাতালে অপরিচ্ছন্ন শৌচাগার দেখে মন্ত্রী বললেন, ‘হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

Rising Cumilla - Upon seeing unsanitary toilets at a hospital in Cumilla, the minister said, Bring some Harpic, I will clean them myself
কুমিল্লায় হাসপাতালে অপরিচ্ছন্ন শৌচাগার দেখে মন্ত্রী বললেন, ‘হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করি’/ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শৌচাগার ও সার্বিক পরিবেশের অপরিচ্ছন্নতা দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। পরিস্থিতি দেখে নিজেই শৌচাগার পরিষ্কার করার কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে বন্ধ শৌচাগার, নষ্ট ফ্যানসহ বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে হাসপাতালের বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম পরিদর্শনে যান কৃষিমন্ত্রী। তিনি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি।

পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের শৌচাগারগুলোর অপরিচ্ছন্নতা ও বেহাল অবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এ সময় হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. শাহজাহানকে উদ্দেশ করে তিনি নিজেই শৌচাগার পরিষ্কার করার কথা বলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কৃষিমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব। যদি আমি পারি, তাহলে আপনার (হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) কাছে জানতে চাইব, আপনি কেন পারলেন না।’

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানের অপরিচ্ছন্নতা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন মন্ত্রী। টাইলসে কালো দাগ দেখে তিনি বলেন, ‘টাইলসের ওপর কালো দাগ থাকার কথা নয়। হারপিক ব্যবহার করলে এসব দাগ পরিষ্কার হয়ে যায়।’

একপর্যায়ে হাসপাতালের শৌচাগারগুলোর অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাথরুমগুলোর জঘন্য অবস্থা। সব ফ্লোরে দেখব বাথরুম আছে ছয়টা, এর মধ্যে পাঁচটি বন্ধ। অন্তত বাথরুমটা তো আপনারা ঠিক রাখবেন।’

পরিদর্শনের সময় দ্রুত পরিচ্ছন্নতার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আই ওয়ান্ট ক্লিন রাইট নাউ।’

শুধু শৌচাগার নয়, হাসপাতালের বৈদ্যুতিক পাখাগুলোর নাজুক অবস্থাও মন্ত্রীর নজরে আসে। দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকা ফ্যানগুলো দ্রুত মেরামতের জন্য হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি।

এ বিষয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. শাহজাহান বলেন, ‘গণপূর্ত বিভাগকে দ্রুত শৌচাগার মেরামত করার জন্য বলা হয়েছে। শৌচাগার পরিচ্ছন্নতায় ১১ জন সরকারি কর্মচারী ও ৬৩ জন আউটসোর্সিংয়ের কর্মচারী কাজ করেন। তারা পুরো হাসপাতাল পরিচ্ছন্নতায় নিয়োজিত। তাদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন