
এ বছর দেশের ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী দিনে ১ লাখ ৪৭ জন কৃষককে কৃষি উপকরণ বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফেনী জেলার ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ব্যক্তিবর্গের সম্মানী’ প্রদান অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ডের প্রাক-পাইলট পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর চলতি বছর পাইলট পর্যায়ে ৪৩ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে। এর মধ্যে ১ অক্টোবর ১ লাখ ৪৭ জন কৃষক কৃষি উপকরণ কেনার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা পাবেন।
তিনি জানান, ফেনী জেলার ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষককে কৃষক কার্ডের মুদ্রিত কপি দেওয়া হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলা যুক্ত থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকবে। পাশাপাশি বাকি ৬৪টি উপজেলাও অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৪৩ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। এছাড়া আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের কৃষি উপকরণ কেনায় সহায়তা দেওয়া এবং কৃষি খাতে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা আরও সহজ ও কার্যকরভাবে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সার্বিক প্রস্তুতি সন্তোষজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছেন।
এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম, ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










