শনিবার ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

ডুজার সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রতিবাদ

কুবি প্রতিনিধি

Rising Cumilla - Comilla University Journalists Association protests attack on Duja journalists
ডুজার সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রতিবাদ

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর ঢাবির ছাত্রদল কর্তৃক হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন কুবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা। মানববন্ধনে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি’র (কুবিসাস) সদস্যরা।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ আবদুল কাইয়ুম চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

কুবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাছাবিহ্ মানববন্ধনের সঞ্চালনা করেন।

এতে বক্তারা বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা কেবল একটি পেশাজীবী গোষ্ঠীর ওপর আঘাত নয়। এটি স্বাধীন গণমাধ্যম, মতপ্রকাশের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি হুমকি।” এছাড়াও অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান কুবিসাস সদস্যরা।

দৈনিক নয়াদিগন্তের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মানছুর আলম অন্তর বলেন, “গত ২৩শে এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যবৃন্দের ওপর যে হামলা চালানো হয়েছে, তা একটি কাঠামোগত সহিংসতা। যার জন্য রাষ্ট্র নিজে দায়ী। এসব হামলার শুরুতে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র নেতারা প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকি ধামকির মাধ্যমে এক ধরনের সম্মতি উৎপাদন করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরবতা এসব হামলাকে বৈধতা দান করে। তাই আমরা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে দাবি জানাই, তারা যেন ঢাবিসাস ও কুমিল্লা পলিটেকনিক সহ বিভিন্ন সময়ে হামলার শিকার হওয়া সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ায় এবং অন্যায়কারীদের শাস্তি প্রদান করে।”

মানববন্ধনে কুবিসাস সভাপতি ও দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি আবু শামা বলেন, “সাংবাদিকরা কোনো দলের নয়। তারা কাজ করে দেশ ও দশের জন্য। তারা যদি আক্রান্ত হয়, তাহলে মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়বে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চা বাধাগ্রস্ত হবে। আমরা জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছি, সাংবাদিকদের ওপর সব ধরনের সহিংসতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। এছাড়া, যারা হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, আমরা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।”

আরও পড়ুন