বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

ঈদকে ঘিরে প্রবাসী আয়ে গতি বাড়ছে

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla - remittance
প্রবাসী আয়/ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১১ দিনেই দেশে এসেছে ১৯২ কোটি বা ১ দশমিক ৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এতে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি মার্চের প্রথম ১১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯২ কোটি ডলার। অন্যদিকে গত বছরের একই সময়ে দেশে এসেছিল ১৩৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৪৩৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বছর ব্যবধানে এই প্রবাহ বেড়েছে ২৩ দশমিক ২০ শতাংশ।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা দেশে থাকা তাদের আত্মীয়স্বজনদের কাছে বেশি পরিমাণে অর্থ পাঠাচ্ছেন। এর ফলে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত জানুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

এরও আগে গত ডিসেম্বরে দেশে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। গত নভেম্বরে দেশে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এ ছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। অন্যদিকে গত আগস্ট ও জুলাই মাসে দেশে এসেছে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার প্রবাসী আয়।

এদিকে, গত ২০২৪–২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

আরও পড়ুন