সোমবার ২৫ মে, ২০২৬

আপনি আসলে হাসপাতাল পরিষ্কার হবে, নাকি সবসময় পরিষ্কার থাকবে?—কুমিল্লায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সেবাগ্রহীতার প্রশ্ন

রাইজিং কুমিল্লা প্রতিবেদক

আপনি আসলে হাসপাতাল পরিষ্কার হবে, নাকি সবসময় পরিষ্কার থাকবে?—কুমিল্লায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সেবাগ্রহীতার প্রশ্ন/ছবি: সংগৃহীত

হঠাৎ করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন, রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং খাবারের মান যাচাই করেন।

এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন সংকট ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে ধরেন সেবাগ্রহীতারা। এক পর্যায়ে এক রোগী স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, “আপনি আসলে হাসপাতাল পরিষ্কার হবে? নাকি সবসময় পরিষ্কার থাকবে?”— এমন প্রশ্নে সেখানে উপস্থিতদের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি হয়।

সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য সফলতা এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, “দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “যে ১৮টি উপজেলায় প্রথম ধাপে টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।”

হামে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-র কাছে স্বাধীন তদন্ত চাইছে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি যদি ১০ জন মানুষকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েও হামে সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাব? শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না।”

তিনি বলেন, “আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো, হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং কোনো মায়ের বুক যেন সন্তান হারানোর বেদনায় খালি না হয়, তা নিশ্চিত করা।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশিরসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন