
মাদ্রাসা ও ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনাকে দুঃখজনক ও লজ্জাস্কর বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে জুমার খুতবায় এসব বিষয় তুলে ধরে শরিয়তের আলোকে হালাল ও হারাম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ইমামদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় ইমাম সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মাদ্রাসা ও ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে ইমামদের জুমার খুতবায় এসব বিষয় তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। খুতবায় শরিয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনটি হালাল আর কোনটি হারাম, তা ব্যাখ্যা করা হলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে বলে তিনি মনে করেন।
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, “আপনি যে প্রশ্নটা করেছেন, আমরা চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে এই জিনিসগুলো থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারি, জনগণও বেঁচে থাকতে পারে।”
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী জানান, চিকিৎসার জন্য কিছুদিন দেশের বাইরে ছিলেন। সেখানে থাকাকালে ঘটনাগুলোর বিষয়ে কিছুটা জানতে পেরেছেন। দেশে ফেরার পর বিষয়গুলো সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জেনেছেন।
এসব ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাস্কর উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে যা যা করা প্রয়োজন, সরকার সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, “আমরা সেই ব্যাপারে যা করা প্রয়োজন, তাই করব, ইনশাআল্লাহ।”








