
বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের ১০২ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয়ভাবে সম্মাননা দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা, কৃষি, প্রকৌশল ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যেমন রয়েছেন, তেমনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি ও প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষকরাও রয়েছেন। কয়েকজন প্রয়াত শিক্ষককে মরণোত্তর সম্মাননাও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রচলিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষায় অবদান রাখা কয়েকজন শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর বাছাইয়ে তালিকায় রাখা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষক সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন- রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর), নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, বায়োক্যামেস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. রফিকুর রহমান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, রসায়ন বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস এ ইসলাম, বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দীন খান এবং রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. এতমিনা আহমেদ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মাননা পেয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার বসাক, ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহীম হোসেন মন্ডল এবং ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ছাদিক। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রয়েছেন গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আ ন ম মুনির আহমেদ চৌধুরী এবং সমাজ বিজ্ঞান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আমির মুহাম্মদ নসরুল্লাহ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানকে মরণোত্তর এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসানকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইসিই বিভাগের অধ্যাপক ড. নোভা আহমেদ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড ডিজাইনের ডিন অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান মল্লিক রয়েছেন তালিকায়।
চিকিৎসা শিক্ষায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. এম এ হাদী, অধ্যাপক ডা. এম এ মাজেদ, ডা. আবদুল মবিন খান, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এম এ মালেককে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, অধ্যাপক ডা. ফিরোজা বেগম এবং অধ্যাপক ডা. এ এস এম এ রায়হানও সম্মানিত হয়েছেন।
এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. শফিকুল বারী এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি ও থেরাপিউটিকস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. শামিনুল মাসুদ আহমেদ সম্মাননা পেয়েছেন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. বাহানুর রহমান, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাছেত মিয়া এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম রয়েছেন।
প্রকৌশল ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহানকে মরণোত্তর এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ড. এ বি এম হারুন-উর-রশিদকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. আব্দুর রফিক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল আহসান ও অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম (মরনোত্তর), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. মোরসালিন বিল্লাহও সম্মানিত হয়েছেন।
মাধ্যমিক পর্যায়ের ১০ শিক্ষক হলেন- ফরিদপুরের কাজী সিরাজুল ইসলাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের মনিরুল ইসলাম, পটুয়াখালীর পাচজুনিয়া ধানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মু. কুতুব উদ্দিন তালুকদার, ঢাকার ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ হাই স্কুলের এ কে এম মিজানুর রহমান, ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হাফেজ মো. রশীদ আলম, কিশোরগঞ্জের সরযূবালা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের মো. আনোয়ার পারভেজ, বগুড়ার কাহালু সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মোহাম্মদ আব্দুর রউফ হোসেন, জয়পুরহাট সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয়ের মো. সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জের শিবালয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হাবিবুর রহমান, খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চম্পানন চাকমা এবং চাঁদপুরের সাচার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মো. জসিম উদ্দিন।
কলেজ পর্যায়ে সম্মানিত হয়েছেন ফরিদপুরের সরকারি আইন উদ্দীন কলেজের ড. মোহাম্মদ টিপু সুলতান, কক্সবাজারের রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল ড. মো. আব্দুর রহিম, নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুতাহের খান, বগুড়ার সরকারি মজিবর রহমান ভান্ডারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. বেল্লাল হোসেন, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ হোসেন, রাজশাহী কলেজের ড. মো. সাজেদুল ইসলাম এবং ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ড. মো. নজরুল ইসলাম।
এ তালিকায় আরও রয়েছেন কবি নজরুল সরকারি কলেজের ড. মো. সিরাজুল রাসুল, বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকার ড. মো. আব্দুর রহমান, নরসিংদীর খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের মো. নাজিম উদ্দিন, ভোলার সরকারি শাহবাজপুর কলেজের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মোল্লা, বান্দরবানের আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুস্মিতা পাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের মো. আহসান শাহরিয়ার তোহফা, কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের অধ্যাপক ড. তৌহিদা জেসমিন শম্পা এবং নাটোরের সেন্ট যোসেফস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাদার শংকর ডমিনিক গমেজ।
মাদরাসার আলিম, ফাজিল ও কামিল পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কামিল মাদরাসার ড. মো. আব্দুর রহিম মুকুল, ঢাকার মোহাম্মাদাবাদ ইসলামীয় ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রফিক, সুনামগঞ্জের ছাতক জ্বালালিয়া কামিল মাদরাসার ড. মোহা. আহমাদুল্লাহ, পাবনার পুষ্পপাড়া কামিল মাদরাসার মো. ইমরান হুসাইন এবং চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদরাসার মো. মোশারফ হোসাইন।
দাখিল পর্যায়ে চাঁদপুর আহমাদিয়া ফাজিল মাদরাসার মো. আমিনুল ইসলাম, হাজীগঞ্জের উচ্চগাঁ ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার মুহাম্মদ আনিছুর রহমান মজুমদার, যশোরের আলহাজ্ব মতিউর রহমান মহিলা ফাজিল মাদরাসার মারুফা সুলতানা, পাবনার মির্জাপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার মো. ইকরামুল হক এবং ঈশ্বরদী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার মিনারুল ইসলাম সম্মানিত হয়েছেন। ইবতেদায়ি পর্যায়ে রয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কামিল মাদরাসার মোছা. আকলিমা আক্তার ও পটুয়াখালী ওয়ায়েজিয়া কামিল মাদরাসার মো. নুরে আলম।
কারিগরি কলেজ পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ড. মুহাম্মদ এমদাদুল হক, ঢাকা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তছলিম উদ্দিন ও ড. মো. শাহরিয়ার আলম, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের ড. মো. আরিফুল আলম এবং ঢাকা সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. খোরশেদ আলম।
কারিগরি মাধ্যমিক পর্যায়ে রয়েছেন মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের জেসমিন সুলতানা, মেহেরপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রকৌশলী মো. শফি উদ্দীন, চাঁদপুরের কচুয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. আমিনুল হক এবং সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ।
প্রাথমিক পর্যায়ে আটজন শিক্ষক সম্মাননা পেয়েছেন। তারা হলেন- ঢাকার মিরপুরের সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোস্তাফিজুর রহমান, জামালপুরের ইসলামপুরের ডি-বালিয়ামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সজিবুল হাসান, চাঁদপুরের বিষ্ণুদী আজিমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হোসনে আরা, বগুড়ার সোনাতলার আমলীতলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়েশা সিদ্দিকা, দিনাজপুরের বিরলের ব্রহ্মপুত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তাজ আল মিনার, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের গজনাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডলি রানী দেব, খুলনার কয়রার মঠবাড়ী সেরাজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এস এম সেরাজুল ইসলাম এবং ভোলা সদরের নজরুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোসাম্মৎ সাহিদা আক্তার।
এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বাছাই করা সাতজন গুণী শিক্ষকও সম্মাননা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন এক টাকার শিক্ষক হিসেবে পরিচিত মো. লুৎফর রহমান। তালিকার তথ্য অনুযায়ী- ১৯৭৪ সাল থেকে তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের শিক্ষা দিয়ে আসছেন। এছাড়া ‘রমনী কান্ত পাঠশালা’ হিসেবে পরিচিত রমনী কান্ত বেপারীও সম্মাননা পেয়েছেন।
এ তালিকায় আরও রয়েছেন বান্দরবানের থানচির তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন এবং ঢাকার ডেমরার মারকাযুল মাদীনা শিক্ষা পরিবারের অধ্যক্ষ মুহা. মুঈনুদ্দীন মজুমদার।
প্রধানমন্ত্রীর বাছাই করা অন্য তিনজন হলেন ফেনীর কাজিরবাগ ইউনিয়নের গিল্লা বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সৈয়দা খালেদা আক্তার পলি, চাঁদপুর সদরের ৬৯ নম্বর বাগাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফছা আক্তার এবং ঢাকা সেনানিবাসের প্রয়াস ইনস্টিটিউট অব স্পেশাল এডুকেশনের সহকারী শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শিক্ষকতা পেশা কখনোই উপায়হীন বিকল্প কিংবা একটি সাধারণ চাকরির মতো হতে পারে না। শিক্ষা-দীক্ষায় সবচেয়ে মেধাবী মানুষটি যাতে কর্মজীবনে শিক্ষকতাকে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী হন, সরকার শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষাব্যবস্থাকে সেভাবেই গড়ে তুলতে চায়।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে দেশের শিক্ষক সমাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকরা জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান শক্তি।










