
দেশের প্রতিটি সংসদীয় এলাকায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে সরকার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে দেশের কোনো গ্রাম যেন প্রাথমিক বিদ্যালয়বিহীন না থাকে, সে লক্ষ্যে গ্রামভিত্তিক ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত ‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি গ্রামে অন্তত একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিশ্চিত করতে গ্রামভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ও ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ গঠনে শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হলে ২০৪১ সালের মধ্যে মানবসম্পদ উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আর সেই বিনিয়োগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে শিক্ষা।
উচ্চশিক্ষা প্রসঙ্গে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এখনো কাঙ্ক্ষিত সমন্বয় গড়ে ওঠেনি। ফলে শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও কর্মক্ষেত্রের চাহিদার মধ্যে ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। এই ব্যবধান দূর করতে শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক কর্মবাজারের চাহিদা পূরণে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এছাড়া শিক্ষাবিদ, শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ইউনিসেফের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।









