
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, পোস্টাল ব্যালট প্রকল্প সফল হলে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, যেকোনো নতুন উদ্যোগে কিছু ভুল বোঝাবুঝি ও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তবে পোস্টাল ভোটিং কার্যক্রমে যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তা কোনোভাবেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে পোস্টাল ব্যালট অ্যাপের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের ব্রিফিং শেষে সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিইসি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি দেখতাম, সব সময় আমাদের যে স্ক্রিনটার সামনে সাংবাদিক ভাইয়েরা থাকতেন, পোস্টাল ব্যালটের ভোটার নিবন্ধনের সংখ্যা দেখতেন। আপনাদের সহযোগিতা না পেলে আমরা এতটুকু আসতে পারতাম না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে কোনো নতুন উদ্যোগে কিছু ভুলত্রুটি হতে পারে। ভুল হয়েছে, আমি তা বলব না। অনেক সময় আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা ক্লিয়ার (বোঝাপড়া পরিষ্কার) হয়ে গেলে কনফিউশনটাও (বিভ্রান্তি) ক্লিয়ার হয়ে যায়।’
সিইসি জানান, পোস্টাল ব্যালটের নিবন্ধন ও ভোটসংক্রান্ত তথ্য শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করে আসছে, যা কমিশনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি বলেন,
‘১২২টি দেশ থেকে প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন। এখানে ১২২ রকমের কালচার, পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের ১২২ রকমের আইন-কানুন রয়েছে। আমাদের দেশের পোস্টাল সিস্টেম এক রকম, আবার অন্য দেশগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা চালু আছে।’
তিনি আরও বলেন, এসব পার্থক্য ও জটিলতা দূর করে একটি কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা চালু করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নির্বাচন কমিশনের টিম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এর আগে ব্রিফিং অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে ভোটদান কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। এতে পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতি, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং ভোট প্রদানের সার্বিক বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের অন্য চার কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।








