
পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে সড়ক, রেল ও নৌপথে। সড়কে গাড়ির চাপ ও কোথাও কোথাও হালকা যানজট থাকলেও সামগ্রিকভাবে স্বস্তিতে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন যাত্রীরা।
এদিকে ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে ভোগান্তিহীনভাবে চলাচল করছেন ঘরমুখো মানুষ। দেশের লাইফলাইনখ্যাত এই মহাসড়ক, যা অন্য বছরগুলোতে ভোগান্তির প্রতীক হয়ে ওঠে, এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র উপহার দিচ্ছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে মহাসড়কের কুমিল্লা রিজিয়নের ২২টি থানা এলাকার যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই মহাসড়কে গাড়ির চাপ রয়েছে। তবে কোথাও বড় ধরনের যানজট নেই। কিছু কিছু এলাকায় যান চলাচল ধীরগতির হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে।
যাত্রীরা জানিয়েছেন, রাজধানী ঢাকা থেকে কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। তবে গজারিয়া অতিক্রম করে দাউদকান্দি সেতু থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সড়কের বেশিরভাগ অংশই ভোগান্তিমুক্ত রয়েছে।
কুমিল্লা-ঢাকা রুটের তিশা পরিবহনের চালকের সহকারী মোহাম্মদ জয়নাল বলেন,
টোল কাউন্টারের কাছে সামান্য যানজট দেখা যায়, তবে বাকি সড়ক প্রায় ফাঁকা থাকে। কোথাও কোথাও সড়কের খানাখন্দের কারণে কিছুটা ধীরগতিতে চলতে হয়।
রয়েল কোচ বাসে ঢাকা থেকে কুমিল্লায় আসা যাত্রী আবু হানিফ জানান,
মাত্র দুই ঘণ্টায় তিনি ঢাকা থেকে কুমিল্লা পৌঁছেছেন। ঈদের মৌসুমে এত কম সময়ে যাত্রা শেষ করা তার জন্য বিরল অভিজ্ঞতা। যদিও টোল প্লাজাসহ কয়েকটি স্থানে কিছুটা ধীরগতি রয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খান জানান, মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী কাজ চলছে। মহাসড়কে গাড়ির চাপ থাকলেও কোথাও বড় ধরনের ভোগান্তি নেই।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পুরো ঈদযাত্রা জুড়েই যাত্রীদের জন্য স্বস্তিদায়ক ও আনন্দঘন ভ্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।






