শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla - Country has full fuel reserves for April and May-State Minister
দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী/ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশে এপ্রিল ও মে মাসের জন্য পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে। পাশাপাশি জুন মাসের চাহিদা মেটাতে জ্বালানি মজুত নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে।

শুক্রবার চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে। পাশাপাশি সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে। ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে মনোযোগ দিয়েছে সরকার। ২০২৯ সাল থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে।

তিনি বলেন, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে আমদানিকৃত সব জ্বালানি দেশে এসেছে। এপ্রিল ও মে মাসের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিতের কাজ চলছে। জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে।

লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে কৃষি ও শিল্প খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। এ কারণে গৃহস্থালি খাতে তুলনামূলকভাবে কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে মে মাসে ফসল সংগ্রহ শুরু হলে গৃহস্থালি খাতকে আবারও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ সময় জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এহসানুল হক, জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব আমির হোসেন চৌধুরী এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, দেশে অকটেন ও পেট্রোলের মজুত যা আছে তা দিয়ে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। বর্তমানে দেশে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন ৩১ হাজার ৮২১ টন, পেট্রল ১৮ হাজার ২১ টন এবং ফার্নেস অয়েল ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।

আরও পড়ুন