
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর অনুপ্রেরণায় গঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) গ্রুপের সহ-দলনেতা শারমিন জাহান খাদিজা’র হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানাচ্ছে টিআইবি।
গত ১৫ মার্চ ২০২৬ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী সাভারের ইসলামনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইয়েস গ্রুপের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
টিআইবি মনে করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা গভীর গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার প্রতি আহ্বান, দ্রুততার সাথে ঘটনাটির সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য, শারমিন জাহান খাদিজা ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে সদস্য হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।
পরবর্তীতে ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইয়েস গ্রুপের সহ-দলনেতা (নারী) হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তার এই অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে টিআইবি পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।
টিআইবি শারমিন জাহান খাদিজার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছে।








