
চাঁদপুরে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠা করা হলে সরাসরি প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি ইপিজেডকে কেন্দ্র করে আশপাশের এলাকায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আরও ৭ থেকে ৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনা যাচাইয়ে ইপিজেড ও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য জেলার তিনটি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) একটি প্রতিনিধি দল।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিনিধি দলটি চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে ইপিজেড স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে। একই দিন সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন ও হাইমচর উপজেলায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থানও ঘুরে দেখে দলটি।
বেপজার নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি সরেজমিনে প্রকল্পগুলোর সম্ভাব্যতা ও নির্ধারিত স্থানগুলোর উপযোগিতা যাচাই করে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ইপিজেডের সহকারী প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম এন জামিউল হিকমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম, নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের সহকারী পরিচালক মো. বোরহান উদ্দিনসহ বেপজার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম এন জামিউল হিকমা বলেন, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা গড়ে উঠলে স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি আসার পাশাপাশি চাঁদপুর ও আশপাশের জেলার তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
বেপজার নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে একটি ইপিজেড ও একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের আশ্বাস দিয়েছেন। ইপিজেড প্রতিষ্ঠা করা হলে সেখানে সরাসরি প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া ইপিজেডকে কেন্দ্র করে আশপাশের এলাকায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৭ থেকে ৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে।









