
এবার চট্টগ্রামে পানি নেমে বেরিয়ে এসেছে নতুন ভোগান্তি। টানা চার দিনের জলাবদ্ধতায় নগরের মূল সড়কের পাশাপাশি শাখা সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টানা বর্ষণে এসব রাস্তাঘাটের কোথাও পিচ উঠে গেছে, কোথাও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের এই দশায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষে ও যানবাহন চালকদেরও। ঘটছে দুর্ঘটনাও।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তথ্যানুয়ায়ী , এবারে অতিবৃষ্টি ও জোয়ারে নগরীর ৫০ দশমিক ৭১ কিলোমিটার সড়ক নষ্ট হয়েছে। এর সঙ্গে ক্ষতি হয়েছে আরো দুই দশমিক ১৯ কিলোমিটার নালা ও ১ দশমিক ৯৯ কিলোমিটার ফুটপাত।
কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ আর জলাবদ্ধতায় সড়কের এমন বেহাল দশা নগরীর মুরাদপুর, আগ্রাবাদ, হালিশহর, পতেঙ্গাসহ অনেক এলাকায়। খানাখন্দে ক্ষতবিক্ষত রাস্তা। সিটি কর্পোরেশনের হিসাব অনুসারে, প্রায় ৫০ কিলোমিটার রাস্তা, দুই কিলোমিটার ফুটপাত আর দুই কিলোমিটার নর্দমা নষ্ট হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, নষ্ট রাস্তা মেরামত ব্যয় বাবদ আমাদের ৬০ কোটি টাকার মত লাগবে। রাস্তা ঠিক করতে যদি দেরি হয় তবে সেক্ষেত্রে খরচ আরও বাড়তে পারে। তাই দ্রুত আমাদের রাস্তা ঠিক করা দরকার।
এদিকে ভাঙা রাস্তা আর গর্তে ইট-বালু দিয়ে সাময়িক চলাচল উপযোগী করছে কর্পোরেশন। দু-একমাসের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর মেরামত শেষ হবে বলে জানান সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।
সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মুনিরুল হুদা বলেন, ‘ভারী বর্ষণের কারণে সড়ক নষ্ট হয়েছে। এখন কার্পেটিং করা হলে বৃষ্টিতে আবার উঠে যাবে। তাই আপাতত গর্তগুলো ইটের খোয়া দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়া পেলে সড়ক সংস্কার করা হবে।’
নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, অপরিকল্পিত এবং দায় সারা ভাবে সড়ক তৈরি ও মেরামত করায় প্রতিবছর এমন অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।










