
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিলে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ভোকেশনালে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫—উভয় ক্ষেত্রেই ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। সারাদেশে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।
এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
পাস ও জিপিএ-৫—দুই ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছাত্রীরা
ফলাফলে দেখা গেছে, ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। বিপরীতে ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফল
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৬১০ জন। এ ক্ষেত্রে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
দাখিল ও ভোকেশনালে ফল
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন। এ বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন। এ বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।
গত ২১ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে জুলাই মাসে দেশব্যাপী প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং একই সময়ে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার কারণে উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিলম্ব হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশে কিছুটা দেরি হয়েছে।







