
নারীদের অনার্স পর্যন্ত পড়াশোনার সব খরচ সরকার বহন করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি ভালো ফলাফল করা ছাত্রীদের উপবৃত্তি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার পর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নারী সমাজকে স্বাবলম্বী করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪ কোটি পরিবারের প্রধান হিসেবে যেসব মা সংসার পরিচালনা করেন, পর্যায়ক্রমে তাদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ঘরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ শিশুর কাছে স্কুল ড্রেসের পাশাপাশি স্কুল ব্যাগও পৌঁছে দিতে চান তারা।
মাছের পোনা অবমুক্তকরণের প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, আজ যে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হলো, এগুলো বড় হয়ে ডিম পাড়বে এবং খাল-বিলে ছড়িয়ে পড়বে। এর সুফল বাংলাদেশের মানুষই ভোগ করবে।
কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বছরে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে তাদের কাছে সার, বীজ ও কীটনাশক পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
বাংলাদেশকে কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বিশেষ করে গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ এবং উপজেলায় বসবাসকারী মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে, সরকার সেসব কাজ করতে চায়।
দেশ পুনর্গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন সময় কাজ করার এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার। সবাইকে হাতে হাত রেখে রাষ্ট্র মেরামত ও দেশ পুনর্গঠনের কাজ শুরু করতে হবে। কারণ বাংলাদেশের মালিক এ দেশের জনগণ।
অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।









