
হাড় কাঁপানো শীতের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের জনজীবন। টানা কয়েকদিন ধরে শহর ও গ্রাম ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে। স্বাভাবিক উষ্ণতা না পাওয়ায় প্রতিদিনই তাপমাত্রা কমছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় সারাক্ষণই তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হালকা থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে প্রকাশিত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এর ফলে বিমান চলাচল, নৌপথ এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদরা জানান, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিত অংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমি স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিত অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাবেই দেশের আবহাওয়ায় শীত ও কুয়াশার তীব্রতা বেড়েছে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কমেছে। কিশোরগঞ্জের নিকলীতে টানা তিন দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।









