রবিবার ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

সারাদেশে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, ফেনী-কুমিল্লাসহ ৮ জেলা ও ২ বিভাগে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত

রাইজিং কুমিল্লা প্রতিবেদক

ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে শীতের প্রকোপ তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি আটটি জেলা ও দুই বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে দেওয়া পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানায়, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে—৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলাভিত্তিক তাপমাত্রা অনুযায়ী, আজ ফেনীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুমিল্লায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, চাঁদপুরে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং নোয়াখালীর মাইজদীতে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকালের তুলনায় আজ শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়া এলাকার সংখ্যা কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে এবং রাজধানী ঢাকাতেও তাপমাত্রা কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী।

সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

বর্তমানে গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সারা দেশের রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে—২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা নির্ধারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে—

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে সেটিকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়।

আরও পড়ুন