
সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। ইতোমধ্যেই জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন। এখন রাজনৈতিক দলগুলো সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।
সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের বড় অংশই পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
তবে এই আসনগুলোতে কাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে— সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তালিকা বা সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেননি দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে জাতীয় সংসদ-এ। প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং দলের প্রতি দীর্ঘদিনের অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। দলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত নারীদেরই প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের নির্ধারিত কিছু নিয়ম ও মেয়াদ রয়েছে। যেসব পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়েছে বা শেষ হতে যাচ্ছে— সেগুলো সমন্বয় করে যথাসময়ে নির্বাচন আয়োজন করা হবে এবং এই নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর কার্যালয় খোলার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি বিএনপির চাওয়া নয়। যেহেতু আইনগতভাবে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে, সেভাবেই বিষয়টি দেখা হবে।









