
আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রথম ধাপে দেশের ১৪টি উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্ড বিতরণ করা হবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
সরকার ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা’ চূড়ান্ত করেছে, যেখানে ছয়টি শ্রেণির মানুষকে এই কর্মসূচির আওতার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী নিচের যেকোনো একটি শর্ত পূরণ করলে পরিবারটি এই সুবিধার বাইরে থাকবে—
১. পরিবারের কেউ সরকারি পেনশনভোগী হলে
২. বাড়িতে এসি ব্যবহার করা হলে
৩. গাড়ি বা বিলাসবহুল সম্পদের মালিক হলে
৪. পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে
৫. বাণিজ্যিক লাইসেন্স থাকলে
৬. বড় ব্যবসার মালিক হলে
হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত— এই তিন শ্রেণির মানুষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্য পরিবারগুলোর হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ শিরোনামে এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।
এই কর্মসূচির মূল দর্শন: “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক”
নীতিমালাটি শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।
আগামী ১০ মার্চ তারেক রহমান পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
উল্লেখ্য, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি ছিল বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। নির্বাচনে জয়লাভের পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঈদের আগেই হতদরিদ্র মানুষের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সরকার একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করেছে।








